আন্তর্জাতিক

করোনায় তছনছ আমস্টারডামের রাতের ‘রঙিন জীবন’!

এখনই সময় :

কোভিড-১৯ বা করোনাভাইরাস আতঙ্কে পুরো বিশ্ব। প্রভাব পড়েছে অর্থনীতি, রাজনীতি সব ক্ষেত্রেই। জিনের গঠন বদলে প্রতিনিয়ত আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে এই ভাইরাস। এবার করোনা আতঙ্কে ছেদ পড়ল আমস্টারডামের রাতের রঙিন জীবনেও। বন্ধ হয়ে গেল আমস্টারডামের যৌনপল্লির ক্লাবগুলি। ফলে বিকল্প খুঁজে পেতে লম্বা লাইন মাদকের দোকান ও কফিশপগুলিতে। নেদারল্যান্ডে এরই মধ্যেই নোভেল করোনা ভাইরাস ঠেকাতে কড়া সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

চীনের ইউহান প্রদেশের পর এখন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বিশ্বে করোনার উপকেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা করেছে ইউরোপকে। চীনের পর সবচেয়ে বেশি করোনা আঘাত হেনেছে ইতালিতে। সেখানে প্রতিদিনই লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। ‘লক ডাউন’ করে দেওয়া হয়েছে ফ্রান্স, স্পেন। এক সপ্তাহের মধ্যে মারা গেছেন প্রায় ৫ হাজার মানুষ। আক্রান্ত দেড় লাখেরও বেশি মানুষ।

এরই মধ্যে ইউরোপের অধিকাংশ দেশে রেস্তোরাঁ, কফিশপ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলি বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ডাচ বারগুলিতেও আলাদা করে মাদক বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বাতিল করা হয়েছে দেশের অভ্যন্তরীন সমস্ত রকমের ভ্রমণ পরিকল্পনা। দুই সপ্তাহের জন্য জরুরি পরিস্থিতি জারি হয়েছে স্পেনে। ব্রিটেন ও আয়ারল্যান্ডের পর্যটকদের ভ্রমণেও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

অন্যদিকে আমস্টারডামের বিভিন্ন নাইট ক্লাব,পতিতালয়,এমনকি মিউজিয়ামগুলিকে বন্ধ করে রেখে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওটেন গ্রুপের মালিক জানান,’মানুষের স্বাস্থ্যের কারণে বন্ধ রাখা হবে ক্লাব। ফলে সুস্থ থাকবেন ক্লাবের কর্মী ও অতিথিরাও।’

নেদারল্যান্ডে এরই মধ্যে ১৭৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, প্রাণ হারিয়েছেন ২০ জন। আর করোনা আক্রান্ত সন্দেহে কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ১০৩৫ জন। এই মারণ রোগের জেরে ক্ষতির মুখ বহু ব্যবসা। বছরের এই সময় আমস্টারডামের যেসব রাস্তা পর্যটকে ঠাসা থাকে এখন সেই রাস্তায় বন্ধ দোকান-পাট। নেই কোন লোকজনের আনাগোনা। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে পতিতাদের আয়-রোজগার।

আরও সংবাদ

মন্তব্য করুন

Back to top button