আন্তর্জাতিক

‘দিল্লির ভাষায় কথা বলা চলবে না কলকাতায়’

এখনই সময় :

প্ররোচণামূলক কোনো স্লোগান যে তিনি বরদাশত করবেন না তা আজ বুঝিয়ে দিলেন মমতা ব্যানার্জি এবং জানালেন যে কলকাতার রাস্তায় “দেশকে গাদ্দারো কো , গোলি মারো (দেশদ্রোহীদের গুলি মারো)” স্লোগান দেওয়ার অপরাধে পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে।

আজ সোমবার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে দলের কর্মিসভা থেকে স্পষ্ট ভাষায় জানালেন মুখ্যমন্ত্রী, দিল্লির ভাষায় কলকাতায় কথা বলা চলবে না।

“গতকাল আমি লক্ষ্য করেছি বাইরে থেকে কয়েকজন এসেছেন। ‘গোলি মারো’ বলেছেন। ভাষাটা অন্যায়, ভাষাটা দানবিক। তাই যারা এটা বলেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

রবিবার কলকাতায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের সভায় যোগ দিতে যাওয়ার সময় বিজেপিরই একটি মিছিল থেকে ‘গোলি মারো’ স্লোগান উঠেছিল। তার পর থেকেই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়।

তৃণমূলের নেতারা বলছেন, এই ধরনের হিন্দিতে স্লোগান পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে অচল। তারা অভিযোগ করেছেন বিজেপি উত্তর ভারতের দাঙ্গার রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গে আমদানি করছে এইসব প্ররোচণামূলক স্লোগান দিয়ে।

দিল্লিতে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির অনুরাগ ঠাকুরের গলায় এই গোলি মারো শ্লোগান শোনা গেছিল। দিল্লিতে ভারতের নতুন নাগরিকত্ব বিরোধী আইন নিয়ে প্রতিবাদকে ঘিরে সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষের জন্য এই গোলি মারো স্লোগান কে দায়ী করেছে কংগ্রেস, তৃণমূল কংগ্রেস এবং বামেরা।

যদিও দিল্লিতে এইধরনের প্ররোচণামূলক স্লোগান দেওয়ার অপরাধে কারোর বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি, মমতা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গে এদের বিরুদ্ধে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ দিল্লিতে নির্বাচনে হারার পরে বলেছিলেন পার্টি এই স্লোগানকে সমর্থন করেনা এবং একধরণের স্লোগান পার্টির ক্ষতি করেছে, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতারা বলছেন, এই শ্লোগানে তারা কিছু ভুল দেখছেন না।

“দেশদ্রোহীদের গুলি করার কথা বলে কেউ কোনো অন্যায় করেনি” বলেন বিজেপি নেতা সায়ন্তন বোস।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close