ব্যবসা

চাল রফতানিতে ১৫ শতাংশ ভর্তুকি দেবে সরকার

এখনই সময়:

চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে চাল রফতানিতে ১৫ শতাংশ নগদ সহায়তা (ভর্তুকি) দেবে সরকার। তবে বিশেষায়িত অঞ্চলে (ইপিজেড, ইজেড) অবস্থিত প্রতিষ্ঠান এ সুবিধার বাইরে থাকবে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রানীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে।

বৈদেশিক মুদ্রায় লেনদেনের সব অনুমোদিত ডিলারদের পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সরকার রফতানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করতে দেশে উৎপাদিত ধান থেকে প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে উৎপাদিত চাল রফতানির বিপরীতে ভর্তুকি দেবে। এ সুবিধা আলোচ্য প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ থেকে চলতি ২০১৯-২০ অর্থবছরে জাহাজীকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দেশে উৎপাদিত ধান সংগ্রহের মাধ্যমে নিজস্ব কারখানায় প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে উৎপাদিত চাল রফতানির ক্ষেত্রে নিট এফওবি মূল্যের ওপর ১৫ শতাংশ হারে প্রক্রিয়াকারী-রফতানিকারক ভর্তুকি প্রাপ্য হবে। তবে বিশেষায়িত অঞ্চলে (ইপিজেড, ইজেড) অবস্থিত প্রতিষ্ঠান থেকে রফতানির ক্ষেত্রে আলোচ্য সুবিধা প্রযোজ্য হবে না।

সামগ্রীসহ অন্যান্য উপকরণের ওপর ডিউটি ড্র-ব্যাক ও শুল্ক বন্ড সুবিধা গ্রহণ করা হলে ভর্তুকি সুবিধা প্রযোজ্য হবে না। ভর্তুকির আবেদনপত্র বিদেশে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের নস্ট্রো হিসাবে রফতানিমূল্য আকলনের (রফতানিমূল্য প্রত্যাবাসনের) তারিখের ১৮০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক শাখায় দাখিল করতে হবে। তবে একই রফতানির ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন চালানের মাধ্যমে রফতানির বিপরীতে ভর্তুকির আবেদনপত্র দাখিলের বিষয়ে এফই সার্কুলার নং ১২, তারিখ ২০ ডিসেম্বর ২০১২ এর নির্দেশনা অনুসরণীয় হবে। প্রতিটি রফতানির স্বপক্ষে আবেদনপত্রের সঙ্গে যথাযথ সরকারি কর্তৃপক্ষের অনুমতিপত্র থাকতে হবে।

রফতানি ভর্তুকির আবেদন ফরমের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে যেসব কাগজপত্র, সনদপত্র, প্রত্যয়নপত্রের উল্লেখ আছে সেগুলো সম্পূর্ণ ও পূর্ণাঙ্গ আকারে আবেদনের সঙ্গে যুক্ত থাকার বিষয়ে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংক প্রাথমিক পরীক্ষণে নিশ্চিত হবে। ভর্তুকির আবেদনপত্রের সঙ্গে রফতানি উন্নয়ন ব্যুরো থেকে সংযোজিত ছক (ফরম-খ) মোতাবেক সনদপত্র দাখিল করতে হবে। ভর্তুকি পরিশোধ নিষ্পত্তি সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিদর্শনের/সরকারি বাণিজ্যিক নিরীক্ষা বিভাগের পরীক্ষণের জন্য পরিশোধের তারিখ হতে অন্যূন তিন বছর পর্যন্ত শাখায় সংরক্ষণ করতে হবে।

এদিকে বিধিবহির্ভূতভাবে ভর্তুকি পরিশোধ করা হলে পরিশোধকৃত অর্থ বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে রক্ষিত পরিশোধকারী ব্যাংকের হিসাব বিকলনপূর্বক আদায় করা হবে। সংঘটিত অনিয়মে জড়িত ব্যাংক কর্মকর্তা/কর্মচারীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সংঘটিত অনিয়মের সঙ্গে রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশনের কোনো কর্মকর্তা যুক্ত থাকলে অথবা মিথ্যা তথ্য দিয়ে অনিয়মে সহযোগিতা করলে রফতানিকারক অ্যাসোসিয়েশন/কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। সরকারি বাজেট বরাদ্দের বিপরীতে ছাড়কৃত তহবিল থেকে ভর্তুকির জন্য দাখিলকৃত আবেদনের বিপরীতে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অর্থ প্রদান করতে বলা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close