স্পোর্টস

বিয়ের পর আমার ম্যাচিউরিটি বেড়েছে : লিটন দাস

এখনই সময়  :ক্রিকেটে চোখের আরাম বলতে একটা বিষয় আছে। একজন তারকা ব্যাটসম্যান হয়তো অনেক রান করতে পারেন, কিন্তু চোখের আরাম দিতে পারেন কয়জন? সেই অল্পসংখ্যক ব্যাটিং শিল্পীদের অন্যতম লিটন দাস। তার ব্যাটিং শৈলী, ফ্রি হ্যান্ড শটস খেলার সামর্থ্য নিয়ে প্রশ্ন তোলার কোনো অবকাশ নেই। লিটনের যে বড় সমালোচনা ছিল ইনিংস বড় করতে না পারা। চলতি বিপিএলে এই সমালোচনাও বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। এমন বদলে যাওয়ার পেছনে রহস্য কী? লিটনের জবাবটা কিন্তু বেশ ইন্টারেস্টিং।

তিনি বলেন, ‘খুব কম বয়সে বিয়ে করে ফেলেছি। বিয়েটাই আমাকে আরও পরিণত করেছে। দুটো কথা বলি। ২০১৬-১৭ সালে যখন খারাপ খেলেছি, তখন আমার পরিণতবোধ অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। ক্যারিয়ারে কখনো খুব একটা ছন্দ হারাইনি। ওই সময় জীবনে অনেক কিছু শিখেছি। ওখানে ম্যাচিউরিটি বেড়েছে। বিয়ের পর আরেকটু বেড়েছে। জানি না কীভাবে বেড়েছে। সেটা মাঠে হোক কিংবা মাঠের বাইরে সবকিছুতেই বেড়েছে।’

আজ চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে তিনি খেলেছেন ৪৮ বলে ৭৫ রানের মারকাটারি ইনিংস। চলতি আসরে প্রায় প্রতি ম্যাচেই তার কাছ থেকে মাঝারি কিংবা বড় ইনিংস আসছে। বেড়েছে ধারাবাহিকতা। ঠিক আগের ম্যাচে করেছেন ৪৫ বলে ৫৬ রান। ২৫- ৩০ রানের পর তাকে আর উল্টাপাল্টা শট খেলতে খুব একটা দেখা যাচ্ছে না। বেড়েছে আত্মবিশ্বাস। তার সমসাময়িক এমনকী সিনিয়রদের থেকেও অনায়াসে এবং অবলীলায় যাকে তাকে যেভাবে খুশি বাহারি শটে সীমানার ওপারে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।

২০১৬-২০১৭ সালে দিকে তার সময়টা বাজে যাচ্ছিল। সুন্দর শুরু করে বাজে শট খেলে আউট হচ্ছিলেন। গত বছর বিয়ের পর থেকেই লিটনের পরিণতিবোধটা বেড়েছে। আক্রমণাত্মক আর বাহারি মারই শেষ কথা নয় এটা তিনি বুঝতে পেরেছেন। যে কারণে দলের জয়ে অবদান রাখছেন নিয়মিত। এর পেছনের কারণ হিসেবে আজ ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলার পর লিটন নিজে মুখেই বলেন, ‘বিয়ের পর মাঠে ও মাঠের বাইরে আমার ম্যাচিউরিটি বেড়েছে।’ বিয়েই লিটনকে আগের চেয়ে অনেক বেশি হিসেবি করে তুলেছে। বদলে দিয়েছে ক্যারিয়ার।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close