সারাদেশ

কৃষিকে যান্ত্রিকিকরণ ও বাণিজ্যিকিকরণ করতে হবে : কৃষিমন্ত্রী

এখনই সময়  :কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষিকে যান্ত্রিকিকরণ ও বাণিজ্যিকিকরণ করতে হবে। এতে কৃষকরা ক্ষতি পুষিয়ে লাভবান হতে পারবেন। আমরা নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে চাই। এ জন্য কৃষির উপর গুরুত্ব আরোপ করেছি। সবাই আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করলে সব ক্ষেত্রেই উন্নতি ও সুশাসন নিশ্চিত করতে পারবো।

আজ সোমবার সকালে গাজীপুরের জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা) আয়োজিত ‘কৃষক-উদ্যোগ: বাণিজ্যিক কৃষির উদীয়মান চালক’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, গত বছর পেঁয়াজ উঠানোর সময় অস্বাভাবিক বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকরা ঠিক মতো উঠাতে পারেননি। পেঁয়াজ পচনশীল দ্রব্য। ভারত থেকে যে পরিমাণ পেঁয়াজ আমদানি করার কথা তা পরিনি। ভারতও পেঁয়াজ রপ্তানী বন্ধ করে দিয়েছে। তাই পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। পেঁয়াজের দাম বেশি থাকায় কৃষকরা এ মৌসমে পাতাসহ পেঁয়াজ বিক্রি করায় পেঁয়াজের ঘাটতি দেখা দিয়েছে। তাই পেঁয়াজের দাম কমছে না।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী কৃষক দরদি ও কৃষকবান্ধব। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য তিনি টিএসপি সারের দাম ২৫ টাকা থেকে ১৬ টাকায় নামিয়ে এনেছেন। এটি একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত। কৃষদের জন্য এটি তার বিজয় দিবসের উপহার। এখন কৃষি ও কৃষি বিপণন ক্ষেত্রে সুশাসন কায়েম করতে হবে।

নাটা’র ভারপ্রাপ্ত মহা পরিচালক ড. মো. আবু সাইদ মিয়ার সভাপতিত্বে সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য প্রফেসর ড. এম এ সাত্তার মন্ডল। বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরউজ্জামান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মান্নান আকন্দ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক ড. মো. আব্দুল মুয়িদ প্রমুখ।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close