আন্তর্জাতিক

উত্তপ্ত ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন, লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা মমতার

এখনই সময়  :নাগরিকত্ব আইন নিয়ে সরকার আর বিরোধীদের পাল্টাপাল্টি মন্তব্যে উত্তপ্ত ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গন। কেন্দ্রীয় সরকারের তীব্র সমালোচনা করে নিজেদের অধিকার রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিরোধী কংগ্রেসের অভিযোগ, সংখ্যালঘুসহ ভারতের মানুষের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করছে ক্ষমতাসীন বিজেপি সরকার।

এদিকে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই আইনের বিরোধিতা না করে পাকিস্তানের সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

তুলির আঁচড়ে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপির কর্মকাণ্ডের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া। নাগরিকত্ব তালিকা এনআরসি ও নাগরিকত্ব আইনের প্রতিবাদ জানিয়ে এভাবেই প্রতিবাদ জানান নয়াদিল্লির জামিয়া মিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

প্রতিবাদ হয় নয়াদিল্লির শাহিনবাগেও। এখানকার বিক্ষোভকে রাজনীতিকরণের অভিযোগ উঠেছে। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা।

বিতর্কিত নাগরিকত্ব আইনের বিরুদ্ধে দেশজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভের মধ্যেই ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সিএএ- ইস্যুটি দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিদেশেও পৌঁছে গেছে। বিক্ষোভকারীরা সংবিধান লঙ্ঘনের যে অভিযোগ এনেছেন তা অস্বীকার করে মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্রের দাবি, আইনের মধ্য দিয়ে নির্যাতিত সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব নিশ্চিতে সাহায্য করছে সরকার।

একইদিন বিরোধী কংগ্রেসসহ নাগরিকত্ব আইনবিরোধীদের সমালোচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আইনের বিরোধিতা না করে সংখ্যালঘুদের ওপর পাকিস্তানের নির্যাতনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, তবে ভারতকে পাকিস্তানের সঙ্গে তুলনা করায় কেন্দ্র সরকারের তীব্র সমালোচনা করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ভারতের মানুষ হিন্দুস্তান চায়।

একই ইস্যুতে বিরোধী কংগ্রেসের মুখপাত্র মিম আফজালও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, কংগ্রেস সংখগ্যালঘুদের বিরুদ্ধে নয় বরং অসাংবিধানিক আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close