সারাদেশ

‘প্রকৃতির ভারসাম্য ফিরিয়ে আনাই ডেল্টাপ্ল্যান ২১০০’

এখনই সময় :

রেলমন্ত্রী মো. নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, জলবায়ুর প্রভাব পড়েছে সর্বত্র। মানবসভ্যতার কারণে পরিবেশের ওপর প্রভাব পড়েছে। নদীখননের মাধ্যমে প্রকৃতির স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে সরকার ডেল্টাপ্ল্যান ২১০০ গ্রহণ করেছে। করতোয়া নদীর খননকাজ উদ্বোধন উপলক্ষে মঙ্গলবার দুপুরে পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলার মাড়েয়া বামনহাট ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে আয়োজিত এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী এই নদী খননের মূল উদ্দেশ্য তুলে ধরে বলেন, পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সেচসুবিধা নিশ্চিত করা, পানির ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি ও দীর্ঘায়িত করে মৎস্য চাষের উন্নয়ন করা, উভয় তীরে বনায়ন, ভূমির উন্নয়নসহ পরিবেশ ও আর্থসামাজিক উন্নয়ন সাধন করা হবে।

জেলা প্রশাসক সাবিনা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. নাঈমুল হাছান, বোদা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যাপক ফারুক আলম টবি, বোদা পৌর মেয়র অ্যাডভোকেট ওয়াহিদুজ্জামান সুজা, মাড়েয়া বামনহাট ইউপি চেয়ারম্যান রেজাউল করিম শামীম। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাহবুবুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান বক্তব্য দেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সুত্রে জানা গেছে, ৬৪ জেলার অভ্যন্তরস্থ ছোট নদী, খাল এবং জলাশয় পুনর্খনন প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে সদর উপজেলার মীরগড় থেকে দিনাজপুরের খানসামা পর্যন্ত করতোয়া নদীর ৭৮ কিলোমিটার নদী খনন করা হবে। এ জন্য ১২১ কোটি টাকা বরাদ্ধ দেওয়া হয়েছে।

পঞ্চগড় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাস্তবায়নের প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের ফলে ছোট নদী, খাল এবং জলাশয়গুলোতে পানি ধারণক্ষমতা বৃদ্ধি পাবে। এর মাধ্যমে বছরব্যাপী সেচসুবিধা বৃদ্ধিও ফলে কৃষি উৎপাদনও বৃদ্ধি হবে। নদী ও খালগুলো পুনরুজ্জীবীত করে মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধিসহ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা হবে। এই প্রকল্প দেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নেও ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close