জাতীয়রাজনীতি

মুজিব আদর্শে অরিন্দম হালদার। খালিদ হোসেন বিপু

৯৪-৯৫ ছাত্রলীগের দুঃসময়ের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মেধাবী ছাত্রনেতা অরিন্দম হালদার। জামাত-শিবির ও ছাত্রদলের নির্যাতন জুলুম ও অত্যাচারের কারণে ঢাকা কলেজ এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কোথায়ও ছাত্রলীগের রাজনীতি উন্মুক্ত ছিল না। তখন ছাত্রলীগের একমাত্র নিরাপদ স্থান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হল। তখন থেকে ছাত্রলীগ করতাম বলে মধুর ক্যান্টিনে আসতাম এবং দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য জগন্নাথ হলে যেতাম, সেই সুবাদে বন্ধু অরিন্দম এর সাথে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক পরিচয়।
অরিন্দম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক মেধাবী ছাত্রনেতা। মাদারীপুর জেলাধীন রাজৈর উপজেলার খালিয়া ইউনিয়নের এক শিক্ষিত সম্ভ্রান্ত পরিবারে তার জন্ম। শিক্ষক পিতা-মাতার একমাত্র ছেলে, ছোট সময় থেকেই রাজনীতির প্রতি তার ভীষণ আগ্রহ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিবিএ, এমবিএ সম্পন্ন করেছে। রাজনীতির কারণে তার চাকরি করা হয়নি। তার বন্ধুবান্ধব সবাই বড় বড় অফিসার কেউ বিসিএস ক্যাডার কেউ ব্যাংকের বড় কর্মকর্তা। এত মেধাবী হওয়া সত্ত্বেও বঙ্গবন্ধু ও আওয়ামী লীগকে ভালোবাসে আজও সেই আগের মতনই আছে, কোনো পরিবর্তন নেই তার।
দুর্নীতিমুক্ত নির্ভেজাল চাওয়া-পাওয়া হীন বঙ্গবন্ধুর আদর্শে উজ্জীবিত এক নাম অরিন্দম হালদার। অসুস্থ পিতা মাতার কাছ থেকে আজও টাকা নিয়ে রাজনীতি করে যাচ্ছেন, শুধু বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ পালনে।
হাইব্রিডের দাপটে পথঘাট, অফিস, পার্টি অফিস সব জায়গা হয়ে গেছে একাকার কিন্তু পুরাতন নিবেদিত প্রাণ গুলো খোঁজখবর কেউ কি রাখছেন?
৯৪-৯৫ এ আমরা ছিলাম শিক্ষাঙ্গন ও রাজনীতির মাঠে সর্বকনিষ্ঠ, কিন্তু প্রিয় বন্ধু অরিন্দম সর্বদায় দেখতাম রাজনীতির মাঠের সেই বড় বড় নেতাদের পাশেই চলাফেরা করতে।
সেই সময় ছাত্রলীগ বলতে যাদের পথে-ঘাটে-মাঠে শিক্ষাঙ্গনে মধুর ক্যান্টিনে টিএসসিতে দেখতাম ( শামীম ভাই, পান্না ভাই, রাজা ভাই, কাওসার ভাই, পঙ্কজ দা, লিজু ভাই, অপু ভাই, রফিক কোতোয়াল ভাই, আনোয়ার ভাই, ফরাজী ভাই, বিমল দা, এবাদাত ভাই, ওদুদ খোকন ভাই, অজয়দা, বাহাদুর ভাই, সুজিত দা, আমিন ভাই, শফিক ভাই, মাইনুল ভাই, সাগর ভাই, আবু ভাই, ফরিদ ভাই, স্বপন ভাই, মিহির দা, বিপ্লব বড়ুয়া দাদা, বিপ্লবদা, রমেন দা, নির্মলদা, দেলোয়ার ভাই, আজিম ভাই, সাজ্জাদ ভাই, আলমগীর ভাই, দিগম্বর আলম ভাই, জাকির ভাই, হেমায়েত ভাই, জুয়েল ভাই, এসপি হারুন ভাই, মাহফুজ ভাই, নুরুল ভাই, মামুন ভাই অপু দা, অসীম দা, তাজ ভাই, শামীম ভাই, তমিজউদ্দিন তমি ভাই, রেজা ভাই, মাইনুদ্দিন বাবু, ডলার ভাই, মাজাহার ইসলাম কাজল, মিছিল দা, মশাল দা, নিহার দা, কৃষ্ণ দা, রথিন দা, প্রশান্ত দা, দিপুদা, রিপন দা, সুভাষদা, মিঠুদা, সমর দা, অমল দা, পঙ্কজ দা, বন্ধু কবি শংকর, আমিনুল ইসলাম আমিন ভাই, হেমায়েত ভাই, শরিফ ভাই, মনির ভাই ফারুক ভাই, নাসির ভাই, এলান ভাই, মুনাব্বর ভাই, শিশির ভাই, নাসির ভাই, ইকবাল ভাই, মিঠু-মিজান-মারুফ ভাই, পুষ্প, গালিব, বাবলা, লিপটন মিন্টু পংকজ বন্ধু। ঢাকা কলেজের ছিলেন শাহেদ ভাই, পল ভাই, অশ্রু ভাই, চিনু ভাই, এস আর পলাশ, ফিরোজ, সুজন, মাজহার ভাই আরো কিছু নাম মনে করতে পারছি না, ঢাকার বাহিরের উল্লেখযোগ্য ছিল বলরাম দা, শেখর ভাই)। বি.দ্র. ছাত্রলীগের বহিরাগতদের নাম উল্লেখ করলাম না। অনেক বন্ধু-বান্ধব আছে এখন অনেক বড় নেতা, কিন্তু আমি হলফ করে বলতে পারি 94-95 এ তারা ছাত্রলীগ করে নাই।
অরিন্দম হালদার, সদস্য, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ কেন্দ্রীয় উপ কমিটি, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, একজন স্বচ্ছ নিবেদিত মুজিব সৈনিক এবং শেখ হাসিনার নির্দেশ পালনে দুর্বার গতিতে তার পথচলা। তাকে যোগ্য স্থানে আগামী কাউন্সিলে রাখলে অবশ্যই জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত শক্তিশালী হবে এবং দুর্নীতিমুক্ত কর্মী বান্ধব রাজনীতি দেখতে পাবো।
জয় বাংলা
জয়তু শেখ হাসিনা।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close