সারাদেশ

সাভারে জমজমাট পূজার কেনাকাটা

মোঃ ইমরান হোসেন, সাভার।। পূজাকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে সাভারের বিপণিবিতানগুলো। বিশেষ করে আজ শুক্রবার প্রচুর ক্রেতা বিপণিবিতানগুলোতে ভিড় করায় জমেছিল কেনাকাটা। এবার পূজার কেনাকাটার সবচেয়ে ভিড় লক্ষ্য করা গেছে সাভারের রাজ্জাক প্লাজায়।এ ছাড়াও সাভারের নবিনগর সেনা মার্কেট, জামগড়া সমীর প্লাজা, আব্বাস প্লাজা, বঙ্গ হর্কার মার্কেটে আজ ভালো বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিক্রেতারা।

ফ্যাশন হাউস নবরূপার শোরুমে গিয়ে দেখা যায়, পূজা উপলক্ষে তারা ছেলেমেয়েদের জন্য নিয়ে এসেছে রকমারি ডিজাইনের পোশাক ও নামিদামি ব্র্যান্ডের নানা প্রসাধন সামগ্রী। পাশাপাশি রয়েছে জামদানি, বেনারসি ও ইন্ডিয়ানসহ নানা ধরনের শাড়ির চমৎকার সমাহার। জামগড়া আড়ংয়ের শোরুমে পূজাকে সামনে রেখে এখানে তোলা হয়েছে মেয়েদের বাহারি ধরনের নতুন নতুন নকশার পোশাক আর ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবি। যার দাম পড়ছে ৪শ’ থেকে ১৬ হাজার টাকা পর্যন্ত। বিক্রেতা মোঃ শামিম হোসেন জানান, পূজা উপলক্ষে আড়ং এবার নিয়ে এসেছে এক্সক্লুসিভ মসলিন শাড়ি, যার দাম ৭৫ হাজার টাকা।

পূজার মোটিভ ব্যবহার করে ফ্যাশন হাউস বিশ্বরঙ এনেছে বিশেষ নকশার টি-শার্ট, পাঞ্জাবি ও সালোয়ার-কামিজ আর শাড়ি। এর বিক্রেতা মৌসুমি ইসলাম জানান, পূজাতে এবার তাদের হাফ সিল্ক্কের শাড়ির চাহিদা বেশি। এই শাড়িগুলোর দাম পড়বে ৩ হাজার ৭৭০ থেকে ১০ হাজার ৭৫০ টাকা পর্যন্ত।

পূজার কেনাকাটায় আজ জমজমাট ছিল আশুলিয়ার  নাজমুল প্লাজাও। এখানকার পোশাক পরিচ্ছদ, কাপড়-ই-বাংলা, ঢাকঢোল, নিত্য উপহার, আরশি, স্বপ্নবাজ, বাংলার মেলা, রঙ, সাদাকালো, বিবিয়ানা, লোকজ, মেঘ, প্রচ্ছদ, গোকুল, বারণ, থ্রিজি, নহলী, সুঁইসুতা, ঐশী, বৃত্ত, বিন্দু, নন্দন কুটির, আতশী, ফাতিহা, টেক্কা, বাংলার রঙসহ প্রায় সব শোরুমেই ছিল ভিড়।

ভিড় রয়েছিল নবীনগর সেনা মার্কেটেও। গাউছিয়ার শাড়ির দোকানিরা বলছেন, কাতান, তসর, সিল্ক্ক ও ভারী কাজের শাড়িগুলো পূজায় বেশি চলে। হাশেম মিয়া নামের এক বিক্রেতা জানান, দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকা দামের শাড়ি বেশি বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে পূজা উপলক্ষে বিভিম্ন অনলাইন শপিং সাইটগুলোও তাদের নতুন নতুন পণ্যের পসরা মেলে ধরেছে। এ ছাড়া ছাড় ও গিফট ভাউচারেরও ব্যবস্থা রয়েছে কোথাও কোথাও। তাই কেনাকাটা করতে যাওয়াসহ বিভিম্ন ঝামেলা এড়াতে ব্যস্ত অনেকেই ঝুঁকছেন অনলাইনের দিকে। ক্রেতাদের অনেকেই বলেছেন, আগের চেয়ে অনলাইন শপিং সাইটগুলোর সংখ্যা বাড়ায় তারা ইচ্ছামতো পোশাক পছন্দ করতে পারছেন। এ ছাড়া দামও রয়েছে সাধ্যের মধ্যেই।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close