সারাদেশ

বরিশালে পুলিশ ইন্সপেক্টরের ষ্টাস্ট্যাস নিয়ে বিভিন্ন মহলে তোলপাড়

বরিশাল সিআইডিতে কর্মরত পুলিশ ইন্সপেক্টর খন্দকার ফেরদৌস এর ফেইসবুক আইডিতে বরিশালকে তাচ্ছিল্য করে দেয়া এক ষ্ট্যাস্টাস নিয়ে তোলপাড় চলছে।

দেশের খ্যাতনামা ব্যক্তি অবিভক্ত বাংলার প্রধানমন্ত্রী শের- ই বাংলা একে ফজলুল হক, কৃষককুল শিরোমনি শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত, বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর , রুপসী বাংলার কবি জীবনানন্দ দাস, কবি কুসুম কুমারী দাস, মহাত্মা অশ্বনী কুমার দত্ত, কবি সুফিয়া কামাল, দার্শনিক আরজ আলী মাতুব্বর, কবি বিজয় গুপ্ত, কবি কামিনী রায়, দার্শনিক সরদার ফজলুল করীম, শুরুকার আলতাফ মাহমুদ, মেজর আব্দুল জলিল, কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ, নন্দিত লেখক আব্দুল গাফফার চৌধুরী, চারন কবি মুকুন্দ দাস , গায়ক আবদুল জব্বার, শক্তিমান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী, সুরকার আবদুল লতিফ, বি.ডি হাবিবুল্লাহ, কবি আসাদ চৌধুরীর মত দেশ বরেন্য ব্যক্তিদের বাড়ী এই ধান খাল নদীর দেশ বরিশালে ।

শুধু তাই নয় রাজনৈতিক দিক দিয়ে বিচার করলে বাংলাদেশের ক্ষমতার সর্বজন শ্রদ্ধেয় পদ রাষ্ট্রপতির পদটি অলংকৃত করেছিলেন বরিশালের আবদুর রহমান বিশ্বাস। এছাড়াও বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সরকারী বে-সরকারী প্রতিষ্ঠানের দেশ বরেণ্য নীতি নির্ধারক ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন এই বরিশালের স্বনামধন্য কৃতিসন্তানেরা।

সেই বরিশালকে নিয়ে একজন পুলিশ ইন্সপেক্টরের ফেইসবুকে আপত্তিকর লেখোনি গোটা বরিশালের খ্যাতি, ঐতিহ্য ও বরিশালবাসীর হৃদয়ে আঘাত হেনেছে। একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তার ফেইসবুক ষ্টাস্ট্যাসে এ ধরনের লেখা সর্বমহলে প্রতিবাদে ঝড় উঠেছে। পাঠকদের বুঝার সুবিধার্থে সিআইডির পুলিশ ইন্সপেক্টর খন্দকার ফেরদৌস এর ষ্টাস্ট্যাসটির তুলে ধরা হলো।

২২/১০/২০১৯ তারিখে Khandokar Ferdous নামক আইডিতে তিনি লিখেছেন
“বাথরুমের বাল্ব কোথায় যায়, জ্ঞানে ধরে না । বরিশালে চাকুরী করতে এসে অনেক অভিজ্ঞতা অর্জন হলো। ধান নদী খাল এই তিনে বরিশাল। আসতে শাল যাইতে শাল তার নাম বরিশাল। চাকুরী করতে এসে গল্প শুনেছি, তিনজন বরিশালের লোক. কোনো ইউনিটে একত্রে হলে, সেই ইউনিটের অবস্থা বারোটা বেজে যাবে। বরিশালে এসে তার প্রমান মিললো। গল্পে আছে বাপ বেটা ছেলে মেয়ে মিলে কোথাও বেড়াতে গেলে সামনে পানিভর্তি নালা বা খাল পথ পরলে সবাই নাকি পড়নের কাপর খুলে হাতে করে উলঙ্গ হয়ে পানি পথ পাড় হতো। এমন কান্ড করে বাপ বেটা একত্রে চলতো । গল্প শুনে হাসতে হাসতে দম আটকে আসে। লজ্জায় মাথা নত হয়ে যায়। একারনেই নাকি এ অঞ্চলের লোকজনের হায়া কম…কোথায় আছি সভ্যযুগে!!!

এছাড়াও তার ডিপার্টমেন্ট’র লোক সর্ম্পকে কুরুচীকর মন্তব্য করেছেন। জানা গেছে, ২০১৭ সালের ৪ মে বরিশাল সিআইডিতে বদলী হয়ে যোগদান করেন ইন্সপেক্টর খন্দকার ফেরদৌস। বিপি নম্বর (৬৭৯০০৪২৮২৯) শোনা গেছে তার গ্রামের বাড়ী রাজবাড়ী জেলায়।
বিষয়টি সর্ম্পকে সিআইডি পুলিশের এসপি মাসুদুল হক শুনেছেন কিনা তা জানতে মোবাইলে ফোন করা হলে তিনি রিসিভ করেননি। তবে এই বিষয়টি নিয়ে কেবল সাধারন মানুষই নয় খোদ প্রশাসনের মধ্যেও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানা গেছে, খন্দকার ফেরদৌসের এই ষ্টাস্ট্যাস নিয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন মহলে তোলপাড় চলছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
সাবস্ক্রাইব করুন

সাবস্ক্রাইব করুন

এখনইসময় সাইটে এখন থেকে মিস হবেনা কোন সংবাদ, সাবস্ক্রাইব করলেই পেয়ে যাবেন তাজা খবর!

You have Successfully Subscribed!

Close