ব্যবসাজাতীয়

অস্থির সুতার বাজার

এখনই সময় :   অস্থিতীশীল হয়ে পড়েছে সুতার বাজার । যার ফলে তাঁতী থেকে শুরু করে পোশাক কারখানার মালিকরা পর্যন্ত চরম বিপাকে।পোশাকখাত করনোকালিন সংকট কাটিয়ে চেষ্টা করছে ঘুরে দাঁড়াবার,পোষাক তৈরীর প্রধান কাচামাল হলো সুতা, এরই মধ্যে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে সুতার অশ্বাভাবিক হারে দাম।

সম্প্রতি অত্যন্ত অসামঞ্জস্যপূর্ণ ভাবে বেড়েছে উঠেছে সুতার মূল্য। তাই বেশী বিপাকে পোশাক কারখানা মালিকরা।

তাঁরা জানান, সব কাউন্টে সুতার দাম ১৫ থেকে ৩৫ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। দেশের বৃহত্তম পাইকারি সুতার বাজার নারায়ণগঞ্জের টানবাজারের ব্যবসায়ীরাও সুতা কিনে মজুদ করতে সাহস পাচ্ছেন না। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তাঁতিরা।

বাংলাদেশ ইয়ার্ন মার্চেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি,  লিটন সাহা বলেন, সুতার বাজারের ঊর্ধ্বগতির কারণে তাঁতিরা অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে। সুতার মূল্যের স্থিতিশীলতা অচিরেই নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তা না হলে তাঁতী থেকে শুরু করে কারখানা মালিকরা পর্যন্ত  ক্ষতিগ্রস্ত হবেন । তিনি আরও আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, ছোট পরিসর থেকে বৃহৎ অনেক পোশাক শিল্প কারখানা মালিকরা কারখানা বন্ধ করে দিতে পারেন।স্পিনিং মিলস থেকে প্রতিদিনই বাড়ছে সুতার দাম। এক্সপোর্ট কোয়ালিটির যে সুতার দাম কয়েক সপ্তাহ আগেও ২ ডলার ৭ সেন্ট এ বিক্রি হচ্ছিল তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ ডলার ৮০ সেন্ট থেকে ৪ ডলারে। এরকম পরিস্থিতিতে বিপাকে পড়েছেন কারখানা মালিকরা। ব্যবসায়ীরা বলছেন সুতার দাম বেড়ে গেলেও, তাদেরকে পূর্বের মূল্যে অর্ডার কমপ্লিট করতে হচ্ছে। বায়াররা বাড়তি মূল্য দিতে রাজি নন, যার ফলে অনেকেই অর্ডার ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এরকম পরিস্থিতিতে কাজ পেয়েও অর্ডার ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হচ্ছেন অনেক কারখানা মালিকরা। সুতার ঊর্ধ্বগতি লাগামে না আসলে, অচিরেই অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।
সুতার বাজারে স্থিতিশীলতা আনতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সুতা ব্যবসায়ী এবং গার্মেন্টস মালিকরা।

নিউজ  এডিট     :        মারিয়া তাওহিদ

আরও সংবাদ

Back to top button