জাতীয়

শুরু হলো এক নতুন অধ্যায় “শুদ্ধাচার”

মোঃ আমিন উল আহ্সান এর facebook থেকে নেয়া।

ধন্যবাদ ‌ও‌ কৃতজ্ঞতা
ধন্যবাদ ‌ও কৃতজ্ঞতা বিসিআইসি, আমাকে শুদ্ধাচার পুরষ্কার প্রদান করে সম্মানিত করার জন্য।

অক্টোবর ২০১৮ বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) এর পরিচালক পদে যোগদান করেছিলাম। বিসিআইসি আমার খুবই পরিচিত একটি প্রতিষ্ঠান। এখানে বিসিএস প্রশাসন এর কোন কর্মকর্তার পদায়ন হতে পারে এটি আমার জানা ছিল না। বিসিআইসির পরিচালক পদে পদায়ন পেয়ে সত্যি আমি ভীষণভাবে আপ্লুত হলাম।

বিসিআইসির একটি প্রতিষ্ঠানে আমার বেড়ে ওঠা। বিসিআইসি পরিবারে কেটেছে শৈশব কৈশোর। বিসিআইসির একটি স্কুলে পড়ালেখা করেছি বিনা বেতনে । স্মৃতিময় প্রিয় নর্থ বেঙ্গল পেপার মিলস হাই স্কুল। পেপার মিলস কলোনী। চাকরি জীবনে এসে সেই প্রতিষ্ঠানের জন্য কাজ করার সুযোগ পেয়ে সত্যি আমি নিজেকে অত্যন্ত সৌভাগ্যবান মনে করি।

বিসিআইসির কাছে আমি নানাভাবে ঋনী। আমার মনে হয়েছে আল্লাহ আমাকে এই ঋন পরিশোধের একটা সুযোগ করে দিয়েছে। সেই অন্তর্গত তাগিদ নিয়েই প্রথম দিন থেকে কাজ করার চেষ্টা করেছি।

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিসিআইসি সারা বাংলাদেশের কৃষকের কাছে ইউরিয়া সার পৌঁছে দেয়ার একটি মহৎ কাজ করছে।
আত্মতৃপ্তির এই জায়গা থেকেই নিজের অর্পিত দায়িত্বের গণ্ডি পেরিয়ে কাজ করেছি। শোনার চেষ্টা করেছি বিসিআইসির বিভিন্ন কারখানার লাইফলাইন শেষ হয়ে যাওয়া যন্ত্রপাতির মর্মব্যথা। শ্রমিক, কর্মচারী, কর্মকর্তাদের আবেগ, ভালোবাসা,যন্ত্রনার কথা। নিজের আনন্দেই করি আমি এসব। কোনো প্রতিদানের প্রত্যাশায় নয়।

তবু স্বীকৃতি মানুষকে উৎসাহিত করে, আর ভিতরের শুভ উদ্যোগুলোকে আরও শানিত‌ ‌ও বেগবান করে, আরও বেশি দায়িত্বশীল করে, সাহসী করে, আত্মবিশ্বাসী করে।
তাই চাকরি জীবনের এই পর্যায়ে এসে আমার প্রিয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে শুদ্ধাচার চর্চার স্বীকৃতি স্বরূপ পুরস্কার আমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ ও স্মরনীয়।

সবশেষে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলের অংশ হিসেবে সরকারি কর্মচারীদের শুদ্ধাচার চর্চার স্বীকৃতি স্বরূপ শুদ্ধাচার পুরষ্কার প্রদানের প্রথা প্রচলনের জন্য সরকারের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা।

আরও সংবাদ

Back to top button