জাতীয়

চাদার জন্য ব্যবসায়ীর ওপর কিশোর গ্যাংদের হামলা

  • উত্তরা  প্রতিনিধি  :    টঙ্গীতে সন্ত্রাসী হামলার শ্বীকার সেই ব্যাবসায়ী নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা

 গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী মিরাশপাড়া এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জেরে বেকারী ব্যবসায়ীর আবুল হাসান বিশ্বাসের উপর সন্ত্রাসী হামলা, ভাংচুর ও নগদ টাকা লুট করেছে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা। গুরুতর আহত অবস্থায় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেছেন বলে জানান তার পরিবার। টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এবং এ ঘটনায় টঙ্গী পূর্ব থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 

জানা যায়, মিরাশপাড়া এলাকার বেকারী ব্যবসায়ী আবুল হাসান বিশ্বাসের(৩৯)উপর গত ১৮ এপ্রিল দিবাগত রাত সাড়ে ১১টায় আবু হাসান বিশ্বাস তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বসে ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। এমতাবস্থায় স্থানীয় সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজ মিরাজ (৩০), সিহাব (২৫), সৈকত (২৮), ইয়াসিন (২৫) সহ ৮/১০জন সন্ত্রাসী তার উপর দেশীয় অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হইয়া অতর্কিতে হামলা করে। ওই সময় মিরাজ লোহার রড দিয়ে তার মাথার মাঝখানে আঘাত করে মারাত্মক জখম করে।

 

এ সময় সন্ত্রাসীরা তার কাছে থাকা নগদ ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা ও মালামাল লুটে নেয়। তার আত্মচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে টঙ্গীর শহীদ আহসান উল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপতালে ভর্তি করেন।

এলাকাবাসী জানান, সন্ত্রাসী মিরাজ, সিহাব, সৈকত ও ইয়াসিন এলাকার কিশোরগং হিসেবে পরিচিত। তাদের অত্যাচারে সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত। তাদের বিরুদ্ধে রয়েছে চুরি, ছিনতাই, চাঁদাবাজী, মাদক ব্যবসাসহ নানান অভিযোগ।

 

সন্ত্রাসীরা ব্যবসায়ী আবুল হাসান বিশ্বাসের কাছে চাঁদা দাবী করে। চাঁদা না দিলে তাকে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করে। সন্ত্রাসীদের অত্যাচারে বর্তমানে আবুল হাসান বিশ্বাস স্ত্রী, ছেলে মেয়ে নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। যে কোন মুহুর্তে বড় ধরনের ক্ষতিসাধন করতে পারে বলে এলাকাবাসী মনে করেন।

এব্যাপারে আবু হাসান বিশ্বাস বলেন, সন্ত্রাসীরা যে কোন মুহুর্তে আমাকে জীবনে মেরে ফেলবে। তাদের অত্যাচারে আমি দীর্ঘদিন যাবত আতঙ্কে রয়েছি। এলাকাবাসী ও টঙ্গী পূর্ব থানা পুলিশ সকল কিছু অবগত আছেন।

টঙ্গী পূর্ব থানা অফিসার ইনচার্জ জাবেদ মাসুদ বলেন, আমি এ ব্যাপারে কিছুই জানি না। আমি জেনে আপনাকে জানাচ্ছি।

আরও সংবাদ

Back to top button