মুক্তমত

মামলায় আজাইরা টাইম নস্ট করার কোনো মানেই হয় না

র‍্যাব আরেকটি ‘চক্র’ পাকড়াও করেছে!

ট্রিভিয়াঃ এরা নিজস্ব ইঞ্জিনিয়ার ও দক্ষ টেকনিশিয়ান দ্বারা গত দশ বছর ধরে বিভিন্ন রোগের নকল টেস্টিং কিট ও ওষুধ বানিয়ে সারাদেশে সরবরাহ করত! 

 

#পুনশ্চঃ র‍্যাব এই চক্র ধরেছে, খুবই ভাল কাজ করেছে। কিন্তু আমাদের দেশে সাধারনতঃ এইসব ধর-পাকরের আর কোনো ফলো আপ হয়না। আবার ফলোয়াপ হলেও বিচার হয়না।

 

২০০৯ সালে রিড ফার্মাসিউটিক্যালসের ভেজাল প্যারাসিটামল সেবনের পর অকালমৃত্যুর শিকার ২৮টি শিশু এখন শুধুই পরিসংখ্যান। তার আগে ১৯৯২ সালে শিশু হাসপাতালে প্যারাসিটামল খেয়ে ৭৬টি শিশুর মৃত্যু হয়েছিল। ওই সময় অ্যাডফ্রেম নামের একটি কোম্পানি ফ্ল্যামোডল নামের প্যারাসিটামল তৈরি করে ঢাকা শিশু হাসপাতালে সরবরাহ করত। ঢাকা শিশু হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার মকবুলের ইনিশিয়েটিভে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধায়ক আবুল খায়ের চৌধুরী সেই ঘটনায় ১৯৯২ সালে মামলা করেন।

 

‘মাত্র’ ২২ বছর পর ২০১৪ সালে অ্যাডফ্রেমের পরিচালকসহ তিনজনের ১০ বছর করে সাজা হয়। বাংলাদেশের ইতিহাসে সেটিই প্রথম এবং এখন পর্যন্ত সেটিই শেষ মামলা, যাতে ভেজাল ওষুধের প্রস্তুতকারী হিসেবে কারও বিচার সম্পন্ন এবং সাজা হয়েছে। যদিও একই সময়ে অপর দুটি প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ (বিসিআই) ও পলিক্যাম ফার্মাসিউটিক্যালের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া অন্য চারটি মামলার বিচার গত ২৪ বছরেও শেষ হয়নি। (সুত্রঃ প্রথম আলো ০৩/১২/২০১৬)

 

#পুনঃপুনশ্চঃ কিছু কিছু মামলায় আজাইরা টাইম নষ্ট করার কোনো মানেই হয়না। সোজা ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠায়া দেয়া উচিত।

 

#জার্গনঃ

 

#ক্রসফায়ার হলো বন্দুকযুদ্ধের নামে ‘কুখ্যাত অপরাধী’ বা ‘অপরাধী সন্দেহভাজন’ বা ‘অপরাধীগণ্য’ কোন ব্যক্তিকে গুলি করে হত্যা করা। ১৯৭৩ সালে ভারতের পশ্চিম বঙ্গে নকশালবাদী আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে আনার লক্ষ্য নিয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার রণজিৎ গুপ্ত এই কৌশলটি প্রয়োগ শুরু করেন।

#ফায়ারিং স্কোয়াড দ্বারা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করাকে অতীতে কখনও কখনও ‘ফিউসিলিডিং’ নামেও ডাকা হত (ফরাসী ফিউসিল মানে রাইফেল)। কাপুরুষতা, পলায়ন, গুপ্তচরবৃত্তি, হত্যা, বিদ্রোহ বা রাষ্ট্রদ্রোহের মতো অপরাধের জন্য মৃত্যুদণ্ডের এ পদ্ধতি বিশেষত সামরিক আদালতে ও যুদ্ধের সময়ে সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে দেয়া হয়ে থাকে।

আরও সংবাদ

Back to top button