জাতীয়

অপরাধ জগতের অন্যতম ডন, নাম তার “মাজেদ খান”

 

মিরাজ সিকদার ঃ

তাবলীগ জামাতে সময় দিচ্ছেন নিজের চেহারা পরিবর্তন করে অবস্থান ঢেলে সাজাতে। এমনই সময় তার গোপন অন্দর মহল ক্যাসিনোতে র‌্যাবের হানায় উন্মোচিত হয়ে যায় তার বাস্তব রুপ। সংবাদ কর্মীদের ধারাবাহিক লেখায় প্রকাশিত হচ্ছে মাজেদ ও তার ছেলে নাজিমের অপরাধ জগতের তালিকার চিত্র। উত্তরা সেক্টরের ভেতরে ৪০ দিনের চিল্লায় সময় লাগানো মাজেদ খান তাবলীগ জামাতের শৃঙ্খলা ভেঙ্গে মসজিদে বসে আল্লাহর ইবাদত ও মানুষের জন্য কল্যানের প্রত্যাশা না করে, ক্ষতি করার চিন্তা স্যোসাল মিডিয়া ফেসবুকে প্রকাশ করেন। মাজেদ খান তার শুভাকাক্সিক্ষদের উদ্দেশ্য শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, “ আল্লাহর কসম, পাগলা কুত্তার ইনজেকশন দিয়ে দিব, মরবি না, পাগল হয়ে যাবি, আল্লাহর ঘর থেকে বলছি” আমিন।

 

গত ২৮ মাচ মাজেদ খানের গোপন ক্যাসিনো রিভার ওয়েভ হোটেলে অভিযান চালিয়ে জুয়ার বিভিন্ন সরঞ্জাম ও বিদেশী মদসহ ৩১ জনকে আটক করেন র‌্যাব ৪। এদের মধ্যে ২৬ জন পুরুষ ও অসামজিক কাজে জড়িত ৫ তরুনী রয়েছেন।

মাজেদ খানের রয়েছে একাধিক স্ত্রী ও অগনিত বেস্ট গার্ল ফ্রেন্ড। তার বগুড়ার স্ত্রী বিথীর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রতিবেদক মিরাজ সিকদার  কে বলেন, আমি মাজেদ খানের ৩ নম্বর স্ত্রী, মাজেদ খান আমার স্বামী হলেও সে আমার কোন দায়িত্ব পালন করেন না। আমার সাথে শুধু মোবাইলে যোগাযোগ করেন।

মাজেদ খানের ছেলে কে এই নাজিম ঃ

 

উত্তরার নেতাদের নাম ভাঙ্গিয়ে মোটা অংকের চাঁদা উঠিয়ে আলোচনা সৃষ্টিকারি নাজিম মাজেদ খানের বড় ছেলে। ভালো হওয়ার জন্য মাসের পর মাস জামাতে সময় লাগালেও

চাঁদা উঠানোর অভ্যাস পরিত্যাগ করতে পানেননি।

 

রাজউক মার্কেটে দোকান ক্রয় বিক্রয়ের সমপরিমান চাঁদা দিতে হয় নাজিমকে। নাজিমের দাবী, চাঁদার টাকা নিয়ে ভাগবাটোয়ারা করে দিতে হয় উত্তরার নেতাদের, এমনই তথ্য প্রচার করে ভূক্তভোগীদের কাছে । প্রতিবেদক মিরাজ সিকদার এর কাছে সংরক্ষিত মোবাইল ইনকামিং ভয়েস কল রয়েছে। যাতে শোনা যায়, নাজিম খান ভূক্তভোগীর কাছে চাঁদার টাকা কাদের মাঝে ভাগবাটোয়ারা হবে তার একটি বিবরন। এ চাঁদা বাজির অভিযোগ এনে ৫—১১—২০২০ তারিখে মিন্নত ও সুমন নামে দুই ব্যক্তি মাজেদ খাঁনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় ২টি সাধারন ডায়েরী করেন, মিন্নতের ডায়েরী নং ৪১৩। এ বিষয়ে মিন্নতের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমার টাকা ফেরত না দেওয়া ছাড়া বিকল্প কোন রাস্তা নেই। আমাকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে, তাতে আমি চিন্তিত না।

এদিকে আজমপুর রবীন্দ্র সরণি সড়কের ফুটপাতে চাঁদাবাজীর নতুন অভিযোগ উঠেছে নাজিমের বিরুদ্ধে। চাঁদাবাজীর অভিযোগে, উত্তরা আজমপুর ফাঁড়ির পেট্রোল ইন্সক্টের টিম নিয়ে সরেজমিনে তদন্তে গেলে, সত্যতা প্রমাণ পেয়ে দোকান বন্ধ করে নাজিমকে সতর্ক করে আসেন।

আরও সংবাদ

Back to top button