জাতীয়

উত্তরায় মাজেদ খান ও তার পুত্র‌ের চাদাবজিতে অতিস্ট ব্যবসায়ীরা

 

মিরাজ সিকদার ঃ

রাজধানী উত্তরায় শ্রমিক লীগের স্বঘোষিত নেতা ‘ক্যাসিনো সম্রাট’ মাজেদ খানের চাঁদাবাজীর প্রতিবাদ করায় উত্তরা পশ্চিম থানায় ১৫ হাজার টাকা ক্ষয়ক্ষতির মামলা দায়ের হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

 

তথ্য সূত্রে জানা যায়, উত্তরা আজমপুরে অবস্থিত রাজউক কর্মচারি সমিতি কমার্শিয়াল কম্পেলেক্স মার্কেটের স্বঘোষিত ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মাজেদ খানের অবৈধ কর্মকান্ড ও চাঁদাবাজীর প্রতিবাদ করে আসছেন মার্কেটের সিংহভাগ ব্যবসায়ী। মাজেদ খানের অত্যাচার, নির্যাতন. চাঁদাবাজী ও হুমকির পরিপ্রেক্ষিতে ব্যবসায়ীদের প্রতিনিধি দল মাজেদ খানের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানাায় গত ৮/৪/ ২০২১ তারিখে একটি সাধারন ডায়েরী করেন, ডয়েরী নং ৫০৮। মার্কেটটির কম্পিউটার ফ্লোরের ব্যবসায়ী সুমন বিশ্বাসের কাছ থেকে জোড় পূর্বক ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগে একটি সাধারন ডায়েরী করেন, ডায়েরী নং ৫০৪, তারিখ ৮/৪/ ২০২১। এছাড়াও মিন্নত আলী নামে আরেক ব্যবসায়ী মাজেদ খানের নামে জোড় পূর্বক চাঁদা দাবি ও আদায়ের একটি জিডি করেন। প্রতিটি জিডিই তদন্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখেন পুলিশ কর্মকর্তা। মাজেদ খানের চাঁদা দাবির পরিপ্রেক্ষিতে রাজউক মার্কেটের একাধিক ব্যবসায়ী উত্তরা পশ্চিম থানায় একাধিক অভিযোগ  দায়ের করেন । তবে আজও পর্যন্ত কোন অভিযোগের সুফল পাওয়নি বলে জানান ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে গত ২১/১১/ ২০১৯ তারিখে মাদক চোরাচালান অভিযোগে ডিবির হাতে গ্রেফতার  দুই জনসহ মাজেদ খাঁনকে প্রধান আসামী করে ডিবি পুলিশের সহকারী পরিদর্শক নাসির উদ্দিন বাদী হয়ে উত্তরা পশ্চিম থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করেন, মামলা নং —৩৭, এ ছাড়াও মাজেদ খাঁনের বিরুদ্ধে হত্যা—খুন, ধর্ষনসহ একাধিক মামলা রয়েছে বিভিন্ন থানায়। ১৯৯৯ সালে আওয়ামীলীগের শাসন আমলে  তৎকালীন বৃহত্তর উত্তরা থানায়, ১টি মামলাও রয়েছে মাজেদ খাঁনের বিরুদ্ধে নং —২৫(১১)৯৯।

 

২০০৩ সালে বিএনপির সময়কালে বিমান বন্দর থানায় ১টি মামলা দায়ের হয়, মামলা নং —৩৮ (১)০৩ এবং তৎকালীন বৃহত্তর উত্তরায় থানায় আরো ২টি মামলা দায়ের হয়, মামলা নং ৪৬(৫)০২ এবং ০১(০৭)০৩, এছাড়াও মাজেদ খাঁনের বিরুদ্ধে রয়েছে  শতাধিক জিডি ও অভিযোগ।

 

মাজেদ খাঁন ও তার ছেলে নাজিমের বিভিন্ন নামে চাঁদাবাজীতে অতিষ্ঠ ব্যবসায়ীরা :

 

রাজউক কর্মচারি সমিতি কর্তৃক নির্মিত রাজউক কমার্শিয়াল কম্পেলেক্স মার্কেটে জোড়পূর্বক সভাপতির পদ দখল করে ব্যবসায়ীদের থেকে হুমকি দিয়ে বিভিন্ন আওয়ামী লীগ নেতা ও এমপির নাম ভাংগিয়ে চাঁদা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মাজেদ খাঁন ও তার ছেলে নাজিমের  বিরুদ্ধে। এছাড়াও মার্কেটের যে কোন দোকান ক্রয় বিক্রয় হলে মাজেদ খাঁনকে ৫০ ভাগ অর্থ দেওয়া বাধ্যতা মূলক।

অভিযুক্ত মাজেদ খানের  মুঠোফোনে বার বার ফোন দেয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।সেজন্য  তার  বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

আরও সংবাদ

Back to top button