সারাদেশ

সাংবাদিক হেলাল”র বাড়িতে গভীর রাতে পুলিশ !

১৫ বছর পূর্বের খালাশ হওয়া মামলার ওয়ারেন্ট"র কথা বলে রাত আড়াইটায় তার বাড়িতে পুলিশ যায়

এখনই সময় :   ঢাকার এক সিনিয়র  সাংবাদিকের  বাড়িতে গভীর রাতে  পুলিশ !

ফ্রুটস ভ্যালী এগ্রো প্রকল্পের কাজে   ঢাকার সিনিয়র সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন এখন চাঁদপুরের শাহতলী এলাকায় নীজ বাড়ীতে অবস্থান করছেন। সকালে ঘুম থেকে উঠেই জানতে পারেন রাত প্রায় আড়াইটায় চাঁদপুর থানার একদল পুলিশ এসেছিল  তাকে গ্রেফতারের জন্যে ! শুনেই স্তম্ভিত।

হেলাল উদ্দিন জানান, প্রায় ৩৭ বছর সাংবাদিকতা পেশায় তিনি জড়িত। জ্ঞাণত কোন অপরাধ করেননি।  পেশাগত কারনে এনবিআরের সাবেক চেয়ারম্যান, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মূখ্য সচিব নজিবুর রহমানের ক্ষমতার অপব্যবহারের শিকার হয়েছিলেন এবং যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান  নুরুল ইসলাম বাবুলের  করা একাধিক মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলা হয় আমার বিরুদ্ধে। যা পুরো দেশবাসী অবগত। এরমধ্যে বিতর্কিত ৫৭ ধারার মামলা এবং কথিত পর্নোগ্রাফি মামলা আদালতে স্বাক্ষ্য প্রমাণে মিথ্যা ও হয়রানীমূলক প্রমাণিত হয়। দুটি মামলা থেকেই আদালত আমাকে নির্দোষ হিসেবে বেকসুর খালাস দেন।

সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন প্রশ্ন রেখে বলেন, ২০১৫ সালের করা সেই মামলার সেই সময়কার একটি গ্রেফতারি পরোয়ানা সাথে নিয়ে চাঁদপুর থানার এসআই মোস্তফা গভীর রাতে আমার বাড়ীতে এভাবে আসতে পারেন?

তিনি ফোন করলেন এসআই মোস্তফাকে,এস আই মোস্তফা  জানালেন, ১৫ সালের একটি মামলার গ্রেফতারি পরোয়ানা আছে। সেই জন্যে রাত আড়াইটায় ওসির অনুমতি নিয়েই নাকি আমার বাড়ীতে গিয়েছিলেন।

সাংবাদিকের ভাতিজা তাকে(দারোগাকে) জানিয়েছে, সেই মামলা এখন আর নেই। আদালত বেকসুর খালাস দিয়েছেন। এই কথা শুনে তিনি ফেরত গিয়েছেন। এরপর জানালেন, বিকালে আবার আসবেন চা খেতে।  সাংবাদিক হেলাল উদ্দিন প্রশ্নের সুরে আক্ষেপ করে বলেন, আমি জানি না তামাদি হয়ে যাওয়া কয়েক বছর আগের গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে গভীর রাতে একজন সিনিয়র সাংবাদিকের গ্রামের বাড়ীতে পুলিশ আসতে পারে কি না  ? যিনি স্থায়ীভাবে ঢাকায় বসবাস করেন। ভাগ্য ভাল, গভীর রাতে কেউ বিষয়টি আমাকে জানায়নি। বা পুলিশের মুখোমুখি আমাকে হতে হয়নি। কিন্তু এমন হয়রানির অর্থ কি? তীব্র নিন্দা জানানো ছাড়া আর কি করতে পারি?

আরও সংবাদ

Back to top button