বিনোদন

বাংলা সিনেমার ডাক্তারের পাট

😁😁😁

বাংলা সিনেমার ডাক্তার গুলোরে  নোবেল  দেয়া  দরকার, মানে নায়ক নায়িকা অসুস্থ হলে ডাক্তার কি সুন্দর সুন্দর সাজেশন দেন, সে জন্য

 

১। উনাকে কোন খোলা জায়গায় বেড়াতে নিয়ে যান (সাজেকে নিয়া যাওয়ার কতা কইতাছে আর কি!!😁😁)

 

২। আকাশ আকাশ করছে কেন?? এক্ষুনি আকাশ কে নিয়ে আসুন নয়তো রোগীকে বাঁচানো যাবে না ( চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে এ এক বিরল দুষ্প্রাপ্য ঘটনা 😐)

 

৩। উনি স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছেন (মানে বেরেন্ট আউট হয়ে গেছে গা আর কি!! 🤧🤧)

যেভাবে আঘাত পেয়েছেন, ঠিক সেভাবেই যদি উনাকে আবার আঘাত করা যায়, উনি সুস্থ হয়ে যাবেন!!

(মানে এর চেয়ে শয়তাইন্যা কুবুদ্ধি দুইন্যাইতে আর নাইক্কা😒😒!!)

 

৪। সিঁড়ি থেকে পড়ে গিয়ে থোতামোথা ফাটিয়ে বসে আছে, ডাকতর আইসা কয়, “ভেরি স্যাড, উনার দুটি কিডনিই নষ্ট হয়ে গেছে”!!! 🙄

 

৫। রোগিনীর চক্ষু দেখিয়াই বলিয়া দিতে পারেন, কনগ্রাচুলেশন, উনি মা হতে চলেছেন (মানে অযথা কোন ফালতু টেস্টের দরকার নাইক্কা 🤧🤧)

 

৬। এমন রক্তের একটা গ্রুপ বলবে যেটার গ্রুপ এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কোন প্রাণীর সাথে মিলবে না, একমাত্র নায়ক/নায়িকা বা ছুডুকালে আচমকা হারিয়ে যাওয়া বাবা/মা/ভাইয়ের সাথেই মিলতে হবে।

 

৭। ব্লাড ব্যাংকের ডাকতর গুলি তো আরো বজ্জাত, বোতলে করে রক্ত দেয়। ওইদিন বাইরে অনেক ঝড় হবে, আর ভিলেনের প্রতিশোধ নেয়ার ফিক্সড ডেট ওইদিনই। তারপর সেই মারপিট হবে ভিলেন আর নায়কের। অতঃপর মারামারির এক পর্যায়ে কাচের বোতল ভেঙে খানখান হয়ে যাবে। শ্যাষ রক্ত!! 😐

 

এর চেয়ে ভালো হতো যদি রক্ত পলিথিনে দিতো। এমন ও তো হতে পারে যে ভিলেনও আমার মত পলিথিনের গিট্টু খুলতে পারে না!! 🤧🤧

 

৮। সাইড নায়ক/নায়িকারে বাঁচানোর ঠ্যাকা বাংলা সিনেমার ডাকতরের পড়ে নাই😏 বরঞ্চ নায়ক যদি ৩৬ টা গুলি খেয়েও চেঙ্গু মেরে পড়ে থাকে, ডাকতর এসে বলপে, “অপারেশন সাকসেসফুল, ইটস আ মিরাক্কেল (মিরাকল)” 😐

 

৯। নায়ক যখন কোমায়, ডাকতরের থেরাপি আর কামে দেয় না, তখন ডাকতর নিজ উদ্যোগে নায়িকা খালাম্মারে ডাইকা আনে, “তোমার আকাশকে তুমি ছাড়া আর কেউ ভালো করতে পারবে না নদী। তুমি ডাকো, ওকে ডাকো, তোমার ভালোবাসা যদি সত্যি হয় ও ফিরে আসবেই …. ”

 

নায়িকার ভালোবাসা দিয়াই যদি সুস্থ করতে হয়, তাইলে তুমি ডাক্তারি তে বছরের পর বছর কি লেহাপড়া ডা করছো বাজান?? 😑

 

১০। তবে সবচেয়ে awesome লাগে বাংলা সিনেমার ডাক্তারদের সার্জারির দক্ষতা দেখে। নায়িকা চক্ষু অপারেশনের জন্য প্রায় মাসখানেক হসপিটালে ভর্তি থাকে। সেই ভর্তির সময় থেকে শুরু করে অপারেশন করা, ব্যান্ডেজ করা, পরবর্তীতে চোখের ব্যান্ডেজ খোলা পর্যন্ত এতটাই কেয়ারফুল থাকে তারা যে নায়িকার চোখের আইশ্যাডো, আইলাইনার, মাশকারা, ভ্রুপ্ল্যাক থেকে শুরু করে প্রতিটা মেকআপ অক্ষত থাকে!! ☺

 

এটা আমার কাছে তুমুল ক্রিয়েটিভ মনে হয় 🤗 গিনেস বুকের কর্তৃপক্ষের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি!! 😅

 

সংগৃহীত।

আরও সংবাদ

Back to top button