জাতীয়

কালকিনির নিখোজ স্বতন্ত্রপ্রার্থীর দেখা মেলে ঢাকায় !

ঢাকার অভিজাত এলাকায় একটি বিলাসবহুল গাড়ীতে , থানা ঘেড়াও আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ হামলা পাল্টা হামলা

এখনই সময় :  আসন্ন পৌরসভা নির্বাচনে মাদারীপুরের কালকিনি পৌরসভার   নির্বাচনী মাঠ যখন স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে জোয়ার,  ঠিক তখনই নৌকার  প্রার্থীর মাথা নস্ট  হয়ে  যায়, তাই  প্রচারণার মাঠ থেকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নেয়া  হয়  স্বতন্ত্র মেয়রপ্রার্থী   মশিউর রহমান সবুজকে।   ১৩  ঘটা নিখোঁজ ছিলেন স্বতন্ত্রমেয়র প্রার্থী মশিউর রহমান সবুজ।

নিখোজের  কয়েক ঘন্টা  পরে   মাদারীপুরে ও বাংলাবাজার ফেরিঘাটে ও সর্বশেষ  ঢাকার একটি দলীয়  অফিসের সামনে পুলিশ সুপারের গাড়ি থেকেই   নামতে দেখা মেলে প্রার্থী  সবুজের।

পুলিশ সুপারের গাড়িটি বাংলাবাজার ঘাট থেকে শিমুলিয়ায় ফেরিতে পার হওয়ার সময় পুলিশ সুপার  জানিয়েছিলেন  বিষয়টি ব্যক্তিগত। এ ব্যাপারে সবুজের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি পুলিশ সুপারের গাড়িতে ছিলেন বলে জানান।

এ দিকে নিখোঁজের পর  প্রতিবাদে বিক্ষোভে ফেটে পরে তার কর্মি সমর্থকরা  , বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কালকিনি থানা ঘেরাও করে স্বতন্ত্রপ্রার্থী সবুজের স্বজন ও সমর্থকরা। এ সময়  রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন। এতে কালকিনি-ভুরঘাটা ও কালকিনি-মাদারীপুর আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় নৌকা ও স্বতন্ত্রপ্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছে।

 

স্বতন্ত্রপ্রার্থীর স্বজন ও সমর্থকরা জানায়, শনিবার দুপুরে কালকিনি পৌর এলাকার পালপাড়ায় নির্বাচনী প্রচারণা চালাচ্ছিলেন স্বতন্ত্রমেয়র প্রার্থী মশিউর রহমান সবুজ। এ সময় তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে একটি ফোন আসে। তাৎক্ষণিক সেখানে কালকিনি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: নাসির উদ্দিন মৃধা গাড়ি নিয়ে হাজির হন। পরে সেখান থেকে সবুজকে পুলিশের গাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর পর থেকেই নিখোঁজ ছিলেন সবুজ।

প্রার্থীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে বিকেলে সাংবাদিকরা বাংলাবাজার ঘাট থেকে শিমুলিয়া ঘাটে রওনা দেয়া ফেরি ক্যামেলিয়ায় হাজির হন। ফেরিটির ভিআইপি কেবিনে উপস্থিত পুলিশ সুপার মো: মাহবুব হাসান বিষয়টিকে ব্যক্তিগত বলে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ফেরিটি শিমুলিয়া ঘাটে পৌঁছালে পুলিশ সুপারের গাড়িতে স্বতন্ত্রপ্রার্থী মশিউর রহমান সবুজকে উঠতে দেখা যায়। এখনই সময়ের বিশেষ প্রতিনিধি টি এম  তুহিনকে মুঠোফোনে সবুজ পুলিশ সুপারের সাথে থাকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

এ দিকে থানার সামনে সবুজকে মুক্ত করার জন্য বিক্ষোভ মিছিল করার সময় দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায় নৌকার সমর্থকরা। এতে দু’পক্ষই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষে আহত হয় অন্তত ২০ জন। ভাঙচুর করা হয় বেশকিছু দোকানপাট। পরে পুলিশ ওই এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ দিকে সবুজকে তুলে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেছে পুলিশ।

 

আরও সংবাদ

Back to top button