আন্তর্জাতিক

চীন ভণ্ড ও চতুর প্রকৃতির

এখনই সময় :

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় চীনের সামরিক সীমানা লঙ্ঘনের কাজগুলো কৌশলগতভাবে সমাধান হতে পারে, তবে এটা আস্থা এবং সদিচ্ছার ক্ষেত্রে কৌশলগতভাবে অনেক বেশি ক্ষতি হয়েছে। সম্প্রতি বেইজিংয়ের কার্যকলাপগুলো এই সত্যকে আরো শক্ত করেছে।

১৫ জুন লাদাখে রক্তাক্ত লড়াইয়ের পর চীন যে মন্তব্যগুলো করেছে তা থেকে এটা স্পষ্ট।

সংবাদ সংস্থা এএনআইয় এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যার হেডলাইন দেওয়া হয়েছে ‘চীন, নির্দয় চতুর’।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ঝাও লিজিয়ান ১৯ জুন বলেছেন, ‘চীন আশা করে যে, ভারত আমাদের সাথে কাজ করবে। দুই দেশের নেতার মধ্যে যে সম্পর্ক হয়েছে তা শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করবে। কূটনৈতিক ও সামরিক যোগাযোগের মাধ্যমে সীমান্তে বর্তমান পরিস্থিতির স্থিতিশীলতা রক্ষা হবে।’

অপরদিকে চীনের সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘ভারত আমাদের সাথে কাজ করুক। তারা দেখাক যে সহযোগিতা করছে। শান্তি বজায় রাখার জন্য চেষ্টা করুক। কারণ আমরা ইতোমধ্যে সেই কাজ করে যাচ্ছি।’

তবে চীনের এই ধরণের কথায় ইঙ্গিত করে যে তারা নির্দোষ। আর সে জন্য দিল্লিকে অনুশোচনা করতে হবে।

ভারতের সাথে বেইজিংয়ের এসব আচরণে সহজেই স্পষ্ট হয় যে তারা কতটুকু চতুর ও দুষ্টপ্রকৃতির।

শুধু তাই নয়, বিশ্বের বহু দেশ চীনের অব্যাহত বর্বরতা ও তাদের নির্দয় র্কীতকলাপের অস্বীকার করায় ক্রুদ্ধ হয়ে উঠেছে।

উদাহরণস্বরূপ বলা যায় জিনজিয়াংয়ের উইঘুর মুসলমানদের সঙ্গে চীনের আচরণ। সেখানে তাদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে না। গাদাগাদি ভাবে তাদের বন্দী করে রাখা হয়েছে। ব্রেইন ওয়াশ এবং জোর করে প্রচণ্ড পরিশ্রম করানো হচ্ছে।

চীন তো প্রথমে এই নির্যাতনের বন্দী শিবিরের অস্তিত্বকে অস্বীকার করেছিল। শেষ পর্যন্ত এটা প্রমাণ হওয়া তারা ‘প্রশিক্ষণ কেন্দ্র’ বলে চালিয়ে দেয়। তাদের এসব কাজ মানবাধিকার লঙ্ঘন।

শুধু তাই নয়, হংকংয়ের জনগণের ক্ষমতাকে ও তাদের ইচ্ছাকেও চীন ধ্বংস করে দিচ্ছে।

চীন বর্তমানে একটি পুলিশি রাজ্যে পরিণত হয়েছে। কম্পারিটেকের এক সমীক্ষায় জানা গেছে, বিশ্বের ২০টি নজরদারি শহরগুলির মধ্যে চীনের অবস্থান ১৮। বিশ্বের প্রায় অর্ধেকেরও বেশি নজরদারি ক্যামেরা চীনে রয়েছে। ২০২১ সাল নাগাদ ৫৬৭ মিলিয়ন ক্যামেরা থাকবে বলে জানানো হয়েছে।

আরও সংবাদ

Back to top button