সারাদেশ

লালমনিরহাটে নদী থেকে উদ্ধার হওয়া তিন লাশের পরিচয় মিলেছে

এখনই সময় :

লালমনিরহাটের তিস্তা, ধরলা ও সানিয়াজান নদী থেকে শুক্রবার (১৭ জুলাই) উদ্ধার হওয়া তিনটি লাশের পরিচয় মিলেছে।

লাশগুলো হলো- ভারতের সুভাষ রায় (৩৫) ও লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার একরামুল (৩২), সদর উপজেলার মোর্শেদা বেগম (৩০)।

থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, জেলার পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারীর ধরলা নদীর ঘাটের পাড়ে শুক্রবার রাত ৯টায় এক যুবকের লাশ ভেসে আসে। শনিবার লাশের ছবি ৬১ বিজিবি বুড়িমারী ক্যাম্পের মাধ্যমে ভারতীয় চ্যাংরাবান্ধা বিএসএফ ক্যাম্পে পাঠানো হয়। ছবি দেখে নিহতের বড়ভাই সুভেন্দ্র রায় সনাক্ত করেন। তিনি জানান, ভাই সুভাষ রায় ধরলা নদীতে গোসল করতে গিয়ে ¯্রােতের টানে ভেসে গিয়ে নিখোঁজ হয়ে ছিল। তার বাড়ি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়ি থানার সুভাষ নগরে। পাটগ্রাম থানা পুলিশ পোস্টমর্টেম ও সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিজিবি’র মাধ্যমে শনিবার বিকাল ৫টায় বুড়িমারী সীমান্ত দিয়ে বিএসএফের কাছে লাশ হস্তান্তর করেছে।

একই দিন রাত সাড়ে ৮টায় জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার ফকিরপাড়া ইউনিয়নের সানিয়াজান নদীর পাড়ে বালুর বাঁধের নির্জন এলাকায় বালু চাপা দেওয়া অবস্থায় একরামুল (৩২) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করে ছিলো পুলিশ। তাকে হত্যা করে বালু চাপা দেয়া হয়ে ছিল। মৃত্যের গায়ের সার্ট দিয়ে পা বাঁধা ছিল।

নিহতের স্ত্রী মুনিরা বেগম জানান, ৮দিন আগে দুপুর ১২টার দিকে একটি মোবাইল ফোন পেয়ে সে বাড়ি হতে বেরিয়ে যায়। তারপর হতে তার কোন খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না।

অন্যদিকে একই দিন সন্ধ্যায় তিস্তা নদীতে খুনিয়াগাছে অজ্ঞাত পরিচিত বোরকার পড়া এক নারীর লাশ ভেসে আসে। সেই নারীর নাম মাসুদা আক্তার (২৫)। নিহতের বাবা মুসা মিয়ার বাড়ি জেলার আদিতমারী উপজেলার মহিষখোচায়। তিনি শনিবার বিকাল ৫টায় মেয়ের লাশ সনাক্ত করেন। মৃতের কারণ অনুসন্ধান চলছে।

লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার আবিদা সুলতানা জানান, গুরুত্বসহকারে নিহতদের মামলাগুলো তদারকি করা হচ্ছে। পোস্টমর্টেম শেষে লাশগুলো পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আরও সংবাদ

Back to top button