সারাদেশ

কমলগঞ্জে হঠাৎ বেড়েছে ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টাইফয়েড রোগীর সংখ্যা

এখনই সময় :

হঠাৎ করে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ভাইরাসজনিত ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টাইফয়েডের প্রকোপ বাড়ছে। আক্রান্তরা প্রাইভেট ফিজিশিয়ানের কাছে চিকিৎসা সেবা নিয়ে নিজ বাড়িতেই অবস্থান করছেন। করোনাকালে এমন উপসর্গে আতঙ্কে রোগীরা। তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ভয়ের কিছু নেই। নিয়ম মাফিক ওষুধ খেলে এবং কিছু নিময় মেনে চলছে সবাই সুস্থ হয়ে উঠবেন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কমলগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় প্রাইভেট চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বর্তমান সময়ে মানুষের মধ্যে ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইনফ্লুয়েঞ্জার কারণে জ্বরের সঙ্গে সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা এসব নানা উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। এতে কেউ কেউ করোনা সংক্রমণের আতঙ্ক মনে করছেন। এ অবস্থায় স্থানীয় চিকিৎসকদের কাছে গেলে ইনফ্লুয়েঞ্জার সঙ্গে টাইফয়েডে আক্রান্তের রিপোর্ট পাওয়া যায়।

ইনফ্লুয়েঞ্জা আক্রান্ত কয়েকজন রোগী জানান, জ্বর-সর্দি-কাশি ও মাথাব্যথা থাকায় প্রতিবেশীদের মধ্যে করোনায় আক্রান্তের গুঞ্জন শুরু হয়।

উপজেলার একটি ডায়গনস্টিক সেন্টার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন বিভিন্ন চিকিৎসকের দেওয়া ব্যবস্থা পত্রের আলোকে রোগীর রক্ত পরীক্ষা করে একটি অংশ টায়ফয়েডে আক্রান্ত হওয়ার রিপোর্ট পাওয়া যাচ্ছে। ভানুগাছ বাজারের প্রাইভেট চিকিৎসক নুরুল ইসলাম ও শমশেরনগর পিন্টু দেবনাথ বলেন, এসময়টাই ইনফ্লুয়েঞ্জা ও টাইফয়েডের সংক্রমণকাল। আর বর্ষাকালে পানিবাহিত রোগ টাইফয়েডে মানুষজন আক্রান্ত হচ্ছেন। প্রতিদিন তারা গড়ে তিনজন করে টাইফয়েড রোগীর চিকিৎসা দিছেন। এসব রোগীরা বাসায় বিশ্রাম, ফুটানো পানি পান এবং নিয়মিত ওষুধ খেলেই সুস্থ হয়ে উঠবেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. এম মাহবুবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, আবহাওযার কারণে এ সময়ে এই রোগ হয়ে থাকে। তবে এ রোগের প্রাদুর্ভাব তেমন দেখা যাচ্ছে না। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। হাসপাতালে এসব রোগীর পর্যাপ্ত সেবা প্রদান করছে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এ দিকে সার্বক্ষনিক নজর রাখছে।

আরও সংবাদ

Back to top button