বিনোদন

চলচ্চিত্র কর্মীদের নিবেদিত প্রাণ মিশা-জায়েদ

এখনই সময় :

এই করোনার সময় চলচ্চিত্রকর্মীদের জন্য নিবেদিত প্রাণ জায়েদ খান-মিশা সওদাগর। যখন দেশের শীর্ষ পারিশ্রমিক প্রাপ্ত শিল্পীরা করোনায় ঘর থেকে বের হচ্ছেন না, যাদের নিয়ে লাইট-অ্যাকশন শব্দে দিনরাত কাজ করে দামি গাড়ি হাঁকিয়ে দামি ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন তাদের কেউ খোঁজ নিচ্ছে না। ঠিক এই সময়ই চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান স্বল্প আয়ের শিল্পীদের জন্য একের পর এক সহায়তা নিয়ে আসছেন। জায়েদের সাথে সবসময়ই রয়েছেন অভিনেতা মিশা সওদাগর।

কার্যত লকডাউনের সময় বেশ কয়েকটি ধাপে জায়েদ খান বিভিন্ন সংস্থার নিকট থেকে সহায়তার ব্যবস্থা করেন চলচ্চিত্র শিল্পী সংগঠনের এই নেতা। ধাপে ধাপে সহায়তা করে গেছেন। ঈদের আগে নিম্ন মজুরি সহশিল্পীদের জন্য ঈদের দিনের খাদ্যের ব্যবস্থা করেন। সর্বশেষ কর্মীদের জন্য দুটি গরুর ব্যবস্থা করেন। এফডিসিতে সেই গরু জবাই করে সকলের জন্য মাংসের ব্যবস্থা করেছেন। স্বভাবতই জায়েদ খানের এসব কর্মকাণ্ডকে স্বাগত জানিয়েছেন চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।

জায়েদ খান বলেন, ‘করোনাকালীন চলচ্চিত্রের সাথে সংশ্লিষ্ট অসচ্ছ্বল মানুষগুলো মাংস কিনে খেতে পেরেছে বলে আমার মনে হয়নি।তিন বেলা দু’মুঠো খাবার যোগারে ব্যস্ত। ঠিক সেই সময়ে আমার বন্ধুবর, ভালোবাসার মানুষ আলহাজ রফিকুল ইসলাম দাঁড়ালেন এই মানুষগুলোর পাশে। আমাদের বিগত কার্যক্রম দেখে খুশী হয়ে তার হৃদয়ের শান্তির জন্য দোয়া চেয়ে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে পাঠিয়ে দিলেন দুটো গরু। তার উসিলায় আমরা আজ কিছু মানুষের হাতে গরুর মাংস তুলে দিতে পেরেছি বলে আমরা ধন্য।’

চলচ্চিত্র শিল্পী আন্না বলেন, ‘তোমার মানবতা দেখে নিজের অজান্তেই চোখে পানি গড়িয়ে পড়ছে, সত্যিই তুমি মহান,সব মানুষ যাকে পছন্দ করেন, আল্লাহ রাব্বুল আলামীন তাকেই পছন্দ করেন, আর তুমি সেই মানুষ, সবার ভালোবাসার মানুষ।’

সরোয়ার আলম নামের একজন চলচ্চিত্র কর্মী বলেন, ‘এই দুঃসময়ে শিল্পী সমিতি হইতে জন পতি ২ কেজি গরুর মাংস পাবো ভাবতেই পারিনি, আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম মিশা সওদাগর ও জায়েদ খানের পক্ষেই সম্ভব শিল্পীদের মুখে হাসি ফোটাতে।’

আরও সংবাদ

Back to top button