স্পোর্টস

ল্যাঙ্গারের চোখে করোনাভাইরাসের ইতিবাচক দিক

এখনই সময় :

সামান্য করোনাভাইরাস এসে বিশ্বব্যাপী মানুষের জীবনচক্র পাল্টে দিয়েছে। ক্রীড়াঙ্গনে এখন অচলাবস্থা। খেলোয়াড়, কোচ থেকে শুরু করে সবাই অবসর কাটাচ্ছেন। এখন পর্যন্ত বিশ্বে ২০ হাজার মানুষ মারা গেছে এই মারণ ভাইরাসে। এই ভয়াবহ অবস্থার মাঝে একটা ইতিবাচক দিকও খুঁজে পেয়েছেন অস্ট্রেলিয়া কোচ জাস্টিন ল্যাঙ্গার। জীবনের সব ব্যস্ততা ছেড়ে মানুষ পরিবারের সান্নিধ্যে যেতে বাধ্য হয়েছে। এটাই বা কম কীসের?

অস্ট্রেলিয়ায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণের বিস্তার ঠেকাতে ইতোমধ্যে পাব, ক্লাব, জিম, ক্যাফে, সিনেমা হল ও উপাসনালয়ের মতো সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এতে অনেকের মতো ল্যাঙ্গারের তিন মেয়েও চাকরি হারিয়েছেন। এক ক্রিকেট ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাতারে ল্যাঙ্গার বলেন, ‘আমি ও আমার মতো আরও অনেকের, যাদের বছরে ১০ মাস ছুটোছুটির ওপর থাকতে হয়, তাদের জন্য এটি সুযোগ করে দিয়েছে পরিবারের সঙ্গে থাকার। এই যেমন দাড়ি বড় করলাম, জুতো পরার বাধ্যবাধকতা নেই, বাগানে যেতে পারছি, বাসা থেকেই অফিসের কাজ করতে পারছি। এসবই ইতিবাচক দিক।’

আসলে ক্রিকেটার আর কোচদের জীবন ব্যস্ততায় ভরা। মাঠ, হোটেল, বিমানবন্দর, শহর থেকে শহর ছুটোছুটি করতেই বছরের বেশিরভাগ সময় কেটে যায় তাদের। কিন্তু এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিস্থিতি। ল্যাঙ্গারের ভাষায়, ‘সবচেয়ে বড় বাস্তবতা হলো, আমরা এখন স্রেফ বসে আছি। সত্যি বলতে, ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য এবং সব খেলোয়াড়ের জন্য এটা একরকম প্রশান্তির। পরিবারের সঙ্গে বাসায় থাকছি, নিজের বিছানায় ঘুমাচ্ছি, বাসায় রান্না করা খাবার খাচ্ছি এবং বাসা থেকে কিছুটা হলেও কাজ করতে পারছি।’

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close