সারাদেশ

দেড় শতাধিক সেবিকার হাসপাতাল ত্যাগের চেষ্টা!

এখনই সময় :

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে করোনা আতঙ্কে কর্মরত সেবিকারা (নার্স) হাসপাতাল ত্যাগের চেষ্টা করেন। শনিবার বিকাল থেকে কুমুদিনী নার্সিং স্কুল এন্ড কলেজের প্রায় দেড় শতাধিক সেবিকা হাসপাতাল ত্যাগের চেষ্টা করেন বলে জানা গেছে।

জানা গেছে, গত দুইদিন আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে কুমুদিনী হাসপাতালে একজন রোগী ভর্তি হন। কিন্ত ওই রোগীকে কর্মরত চিকিৎসকরা এড়িয়ে চলায় সেবিকাদের মধ্যে সন্দেহের সৃষ্টি হয়। এক পর্যায়ে তাদের মধ্যে করোনা আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে তারা একযোগে প্রায় দেড়শতাধিক সেবিকা তাদের ব্যাগ নিয়ে বিকেলে হাসপাতালের প্রধান ফটক দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। হাসপাতালে কর্তব্যরত নিরাপত্তাকর্মীরা তাদের বাঁধা প্রদান করে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করেন। এ সময় সেবিকারা বাধাপ্রাপ্ত হয়ে হাসপাতালের পুরাতন ডক্টরস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন।

এদিকে সেবিকাদের হাসপাতাল ত্যাগের চেষ্টার খবর পেয়ে কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায়, কুমুদিনী উইমেন্স মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা.আব্দুল হালিম, কুমুদিনী নার্সিং স্কুল এন্ড কলেজের প্রিন্সিপাল রিনা ক্রুস, কুমুদিনী হাসপাতালের এজিএম অনিমেশ ভৌমিক ঘটনাস্থলে যেয়ে আতঙ্কিত সেবিকাদের সঙ্গে কথা বলেন।

আতঙ্কিত সেবিকারা রোগীদের সেবা দিতে তাদের সুরক্ষা পোষাক ও সরঞ্জাম না থাকার অভিযোগ তুলেন এবং তা সরবরাহের দাবি জানান। পরে হাসপতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায় তাদের সুরক্ষা দিতে সকল প্রকার সুরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহের আশ্বাস দেন। এ সময় তিনি তাদের জানান, দুই একদিনের মধ্যে বিদেশ থেকে উন্নত মানের ৪ শতাধিক সুরক্ষা পোষাক হাসপাতালে এসে পৌঁছাবে।

এ ব্যাপারে কুমুদিনী হাসপাতালের পরিচালক ডা. প্রদীপ কুমার রায় জানান, করোনা আতঙ্ক নয়, সারা দেশে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ দেয়া হয়েছে। এজন্য নার্সিং শিক্ষার্থীরাও ছুটিতে বাড়ি চলে যেতে চাই। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কিছু দাবি আছে কর্তপক্ষ তাদের দাবি পুরনের আশ্বাস দিলে সেবিকারা হাসপাতালের ডাইনিং এ রাতের খাবার খেয়ে নিজ নিজ কক্ষে চলে গেছে। রবিবার সকাল থেকে তারা কাজে ফিরবেন বলে জানান।

Related Articles

Leave a Reply

Back to top button
Close